শেখ মুজিব কি জাসদের ৩০ হাজার নেতাকর্মীকে সরাসরি হত্যা করেছিলো?
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সময়কালটি ছিল পুনর্গঠনের পাশাপাশি চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার। এই অস্থিরতার কেন্দ্রে ছিল নবগঠিত রাজনৈতিক দল 'জাসদ' এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। আজও রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি প্রশ্ন বিতর্ক উসকে দেয় বঙ্গবন্ধু কি সত্যিই জাসদের ৩০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিলেন? কেন জাসদ সেই সময় এত সশস্ত্র হয়ে উঠেছিল? আর ১৫ আগস্টের পর হঠাৎ কেন তারা স্তিমিত হয়ে গেল?

TruthBangla
Jan 24, 2026
শেখ মুজিব কি জাসদের ৩০ হাজার নেতাকর্মীকে সরাসরি হত্যা করেছিলো? ৩০ হাজার হত্যার দাবি কতটুকু সত্য? বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সময়কালটি ছিল পুনর্গঠনের পাশাপাশি চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার। এই অস্থিরতার কেন্দ্রে ছিল নবগঠিত রাজনৈতিক দল 'জাসদ' এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। আজও রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি প্রশ্ন বিতর্ক উসকে দেয় বঙ্গবন্ধু কি সত্যিই জাসদের ৩০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিলেন? কেন জাসদ সেই সময় এত সশস্ত্র হয়ে উঠেছিল? আর ১৫ আগস্টের পর হঠাৎ কেন তারা স্তিমিত হয়ে গেল? আজকের নিবন্ধে আমরা ইতিহাসের নির্মোহ বিশ্লেষণ করব।
জাসদ বনাম আওয়ামী লীগ
১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন 'ছাত্রলীগ' বিভক্ত হয়ে জাসদের জন্ম হয়। এই দ্বন্দ্ব ছিল মূলত আদর্শিক এবং রণকৌশলগত।
আদর্শগত মেরুকরণ: বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন সংসদীয় গণতন্ত্র এবং জাতীয়তাবাদে। তিনি ধাপে ধাপে সমাজতন্ত্রের দিকে এগোতে চেয়েছিলেন। অন্যদিকে, সিরাজুল আলম খান, আ স ম আবদুর রব এবং শাহজাহান সিরাজের নেতৃত্বে জাসদ প্রবর্তন করতে চেয়েছিল সোভিয়েতপন্থী কমিউনিজমের এজেন্ডা ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র’। তারা মনে করত, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ কেবল ভৌগোলিক স্বাধীনতা এনেছে, কিন্তু জনগণের মুক্তি বা ‘শ্রেণি সংগ্রাম’ সম্পন্ন হয়নি।
জাসদের ‘দ্বিতীয় বিপ্লব’: জাসদ তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশকে আকৃষ্ট করেছিল এই বলে যে, আওয়ামী লীগ সরকার একটি ‘বুর্জোয়া’ বা এলিট শ্রেণিকে সুবিধা দিচ্ছে। তারা অবিলম্বে সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। এই বিপরীতমুখী চিন্তাই দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের বীজ বপন করে।
‘৩০ হাজার হত্যা’ কতটুকু সত্য?
জাসদের পক্ষ থেকে দীর্ঘকাল দাবি করা হয়েছে যে, শেখ মুজিবের আমলে তাদের ৩০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ইতিহাসের পাতা উল্টালে এই সংখ্যার কোনো সঠিক ভিত্তি পাওয়া যায় না।
তৎকালীন কোনো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা (যেমন- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল), দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যম বা সরকারি দলিলে এই ‘৩০ হাজার’ সংখ্যার সমর্থন পাওয়া যায় না। অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, এটি একটি রাজনৈতিক অতিরঞ্জন।
১৯৭৪ সালের ১৭ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনসুর আলীর বাসভবন ঘেরাও করতে গিয়ে রক্ষীবাহিনীর সাথে সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়। এ সংঘর্ষে রক্ষীবাহিনীর গুলিতে জাসদের প্রায় ৫০ জন কর্মী নিহত হন। এটি ছিল একটি নথিবদ্ধ বড় হত্যাকাণ্ড।
এছাড়া ক্রসফায়ার বা রাজনৈতিক সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মানুষ মারা গিয়েছিল। কিন্তু সংখ্যাটি কোনোভাবেই ৩০ হাজারে পৌঁছানোর মতো কোনো প্রমাণ বা তালিকা আজ পর্যন্ত কেউ পেশ করতে পারেনি।
সহিংসতা কি একতরফা ছিল?
ইতিহাস বলে, সেই সময়ের সহিংসতা ছিল দ্বিপাক্ষিক। জাসদের সশস্ত্র শাখা ‘গণবাহিনী’ থানা লুট, ব্যাংক ডাকাতি এবং আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ পুলিশের ওপর চোরাগোপ্তা হামলা চালাত। রাষ্ট্র যখন এই সশস্ত্র বিদ্রোহ দমন করতে যায়, তখনই রক্ষীবাহিনীর সাথে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
জাসদ বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে এত উগ্র ছিল কেন?
জাসদের উত্থান হয়েছিল মূলত তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন 'ছাত্রলীগ' থেকে বেরিয়ে আসা একটি অংশ নিয়ে। সিরাজুল আলম খান, আ স ম আবদুর রব এবং শাহজাহান সিরাজের নেতৃত্বে এই দলটি শুরু থেকেই 'বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র' প্রতিষ্ঠার কথা বলে তরুণ সমাজকে উগ্রতার দিকে ঠেলে দেয়। জাসদের সেই সময়ের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তারা একটি নবজাতক রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার জন্য চরমপন্থা বেছে নিয়েছিল।
সশস্ত্র বিপ্লবের ভুল ধারণা: জাসদের তৎকালীন নীতিনির্ধারকরা মনে করেছিলেন, রাশিয়ার ১৯১৭ সালের বলশেভিক বিপ্লব বা চীনের মাও সে তুং-এর সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মতো বাংলাদেশেও একটি 'বিপ্লব' সম্ভব। তারা মনে করেছিল রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লব বা চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মতো বাংলাদেশেও সশস্ত্র পথে ক্ষমতা দখল সম্ভব। তারা সংসদীয় গণতন্ত্রকে ‘বুর্জোয়া’ ব্যবস্থা হিসেবে আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাখ্যান করে। তাদের লক্ষ্য ছিল সশস্ত্র পন্থায় ক্ষমতা দখল করা। এই ভুল রাজনৈতিক দর্শনের কারণে তারা হাজার হাজার মেধাবী তরুণকে পড়াশোনা ছেড়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিতে উৎসাহিত করে, যা রাষ্ট্রের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনে।
আন্তর্জাতিক স্নায়ুযুদ্ধের ঢেউ: তৎকালীন বিশ্ব রাজনীতি ছিল স্নায়ুযুদ্ধে (Cold War) টালমাটাল। সোভিয়েতপন্থী ও চীনপন্থী বামপন্থীদের মধ্যকার বিরোধের ঢেউ বাংলাদেশেও লেগেছিল। এই স্নায়ুযুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশের বামপন্থীদের ওপরও পড়েছিল। জাসদ চরমপন্থী বাম ধারার প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের ইন্ধন পায় বলে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন। তারা তৎকালীন সরকারকে 'ভারতীয় আধিপত্যবাদের দালাল' হিসেবে প্রচার করে উগ্র জাতীয়তাবাদ ও সমাজতন্ত্রের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ তৈরির চেষ্টা করেছিল।
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি: ১৯৭৪ সালে যখন বিশ্বব্যাপী মন্দা এবং দেশের ভেতরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে খাদ্য সংকট দেখা দেয়, তখন জাসদ পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তোলে। তারা লঙ্গরখানাগুলোতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, থানা লুট এবং পাটের গুদামে আগুন দেওয়ার মতো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনসুর আলীর বাসভবন ঘেরাও করতে গিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জাসদের এসব কর্মকাণ্ড সরকারকে কঠোর হতে বাধ্য করেছিল, যা প্রকারান্তরে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করে দেয়।
শেখ মুজিব পরবর্তী জাসদ কেন নিষ্ক্রিয় হয়ে গেল?
একটি বড় ঐতিহাসিক প্রশ্ন হলো, ১৯৭২-৭৫ সালে যারা রাজপথ কাঁপিয়েছিল এবং সরকারের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল, তারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর কোথায় হারিয়ে গেল? বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জাসদ কেন রাজপথে আগের মতো সক্রিয় থাকতে পারল না? এর উত্তর লুকিয়ে আছে তৎকালীন সামরিক শাসকদের কঠোর দমন নিপীড়নে।
সামরিক দমন নিপীড়ন
বঙ্গবন্ধুর শাসনকাল ছিল মূলত গণতান্ত্রিক এবং অনেক মানবিক নমনীয়। শত উস্কানির মুখেও শেখ মুজিবুর রহমান রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি জাসদকে রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ করতে দিয়েছিলেন। জাসদের উৎপাত ও সন্ত্রাসের তুলনায় বঙ্গবন্ধু সরকার তুলনামূলকভাবে অনেক কম দমননীতি অবলম্বন করেছিল। কিন্তু ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক ঘটনার পর ক্ষমতা চলে যায় বন্দুকের নলের ডগায়।
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর জাসদের শীর্ষ নেতাদের অধিকাংশকেই কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়। সামরিক সরকার কঠোর দমননীতি অবলম্বন করে। খন্দকার মোশতাক এবং পরবর্তীতে জেনারেল জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বামপন্থী বা যেকোনো রাজনৈতিক বিরুদ্ধ মতকে কঠোর হাতে দমন করা হয়। জাসদ যে 'গণতন্ত্রের' সুযোগ নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সময় উগ্রতা দেখিয়েছিল, সামরিক শাসনের আমলে সেই সুযোগটি তারা আর পায়নি।
সিপাহি-জনতা বিপ্লবের ব্যর্থতা
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ‘সিপাহি-জনতা বিপ্লব’ এর পেছনে জাসদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। বামপন্থী মতাদর্শী কর্নেল আবু তাহেরের নেতৃত্বে তারা চেয়েছিল সেনাবাহিনীর ভেতরে একটি শ্রেণিহীন কাঠামো তৈরি করতে। কিন্তু রাজনীতির খেলায় তারা হেরে যায় জেনারেল জিয়ার কাছে। জিয়াউর রহমান জাসদকে ব্যবহার করে ক্ষমতা সুসংহত করলেও, পরবর্তীতে তাদের ওপরেই চরম আঘাত হানেন।
নেতাদের গ্রেপ্তার ও বিভাজন
জিয়াউর রহমানের শাসনামলে জাসদের শীর্ষ নেতাদের গণহারে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৯৭৬ সালে এক গোপন বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্নেল আবু তাহেরকে ফাঁসি দেওয়া হয়। আ স ম আবদুর রব, এম এ জলিলসহ প্রথম সারির সকল নেতাকে দীর্ঘ মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জেলে থাকায় দলটি সাংগঠনিকভাবে দিশেহারা হয়ে পড়ে।
কর্নেল আবু তাহেরের ফাঁসি এবং অন্যান্য নেতাদের দীর্ঘ কারাদণ্ড জাসদকে সাংগঠনিকভাবে পঙ্গু করে দেয়। সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর চাপ এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জাসদ বহু খণ্ডে বিভক্ত হয়ে পড়ে। বাসদ, জাসদ (রব), জাসদ (ইনু) এমন নানা ধারায় দলটি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। তাদের তথাকথিত 'বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র' এর নেশা কেটে গিয়ে তখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে পরিণত হয়। ফলে তারা তাদের পুরনো উগ্রতা হারিয়ে কোনঠাসা হয়ে পড়ে এবং কার্যত রাজনীতির মূলধারা থেকে ছিটকে পড়ে।
স্বৈরাচার বনাম রাষ্ট্র রক্ষা
জাসদের তৎকালীন রাজনীতি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একটি সদ্য স্বাধীন দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং সামাজিক অস্থিরতাকে পুঁজি করে ক্ষমতায় যাওয়ার যে হঠকারী চিন্তা তারা করেছিল, তা দেশের জন্য কোনো সুফল বয়ে আনেনি। বরং তাদের উস্কানি এবং অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড প্রকারান্তরে ১৫ আগস্টের খুনিদের জন্য পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিল।
জাসদ যে পরিস্থিতি তৈরি করেছিল, তা যেকোনো দেশের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি ছিল। রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকতে হলে সশস্ত্র বিদ্রোহ দমন করা প্রতিটি সরকারের দায়িত্ব।
বঙ্গবন্ধু কোনো ফেরেশতা ছিলেন না, তাঁর শাসনামলেরও সমালোচনা থাকতে পারে; কিন্তু সেই সমালোচনা যখন সশস্ত্র বিদ্রোহ এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার রূপ নেয়, তখন তার ফল ভোগ করতে হয় পুরো জাতিকে।
জাসদ তার উগ্রতার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সরকারকে দুর্বল করতে পেরেছিল ঠিকই, কিন্তু বিনিময়ে তারা বাংলাদেশকে উপহার দিয়েছিল দীর্ঘ এক সামরিক শাসনের অন্ধকার অধ্যায়। কিন্তু তথাকথিত '৩০ হাজার হত্যা'র তকমা দিয়ে তাঁকে খুনি হিসেবে চিত্রায়িত করা একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা মাত্র।
বাস্তবতার নিরিখে মূল্যায়ন
১৯৭২-৭৫ কালখণ্ডটি ছিল বাংলাদেশের জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা। জাসদ সেই পরীক্ষায় একটি চরমপন্থী পক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। জাসদ ও আওয়ামী লীগের সংঘাত ছিল একটি নবজাতক রাষ্ট্রের শৈশবের কঠিন বাস্তবতা। ৩০ হাজার হত্যার দাবিটি যতটা না ঐতিহাসিক, তার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। আজ কয়েক দশক পর দাঁড়িয়ে আমরা দেখতে পাই, সেই সময়ের উগ্রবাদী জাসদ নেতাদের অনেকেই পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের সাথে হাত মিলিয়ে মন্ত্রিত্ব করেছেন, যা প্রমাণ করে যে পুরনো শত্রুতা ছিল মূলত ক্ষমতার লড়াই ও ভুল বোঝাবুঝির ফসল।
বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে জাসদ যে বিপ্লবের আশা করেছিল, তা আসেনি; বরং বাংলাদেশ দীর্ঘকাল সামরিক শাসনের অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়েছিল। এটিই ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি।
আপনি কি মনে করেন সেই সময়ে জাসদের সশস্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক ছিল নাকি ক্ষতিকর?
Explore Topics
Featured Posts
About
TruthBangla shares impactful stories, national developments, and uplifting content that strengthen unity and inspire positive change.















