ভারতের ‘গোপন ষড়যন্ত্রে’ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল?
স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পরেও একটি বিশেষ মহল - যাদের আমরা 'পাকপন্থী' বা বিকৃতমস্তিস্কের প্রোপাগান্ডিস্ট হিসেবে চিনি তারা দাবি করার চেষ্টা করে যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিল ভারতের একটি 'গোপন ষড়যন্ত্র'। তারা মূলত বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম, ২ লক্ষ নারীর সম্ভ্রম আর ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তকে অপমান করতে এবং পাকিস্তানের হারকে জায়েজ করতে এই হাস্যকর বয়ান ছড়িয়ে থাকে।

TruthBangla
Dec 7, 2025
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যেমন বীরত্ব ও আত্মত্যাগের, তেমনি এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতির এক জটিল দাবার চালও বটে। স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পরেও একটি বিশেষ মহল - যাদের আমরা 'পাকপন্থী' বা বিকৃতমস্তিস্কের প্রোপাগান্ডিস্ট হিসেবে চিনি তারা দাবি করার চেষ্টা করে যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিল ভারতের একটি 'গোপন ষড়যন্ত্র'। তারা মূলত বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম, ২ লক্ষ নারীর সম্ভ্রম আর ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তকে অপমান করতে এবং পাকিস্তানের হারকে জায়েজ করতে এই হাস্যকর বয়ান ছড়িয়ে থাকে।
প্রকৃতপক্ষে, ভারতের ভূমিকা কোনো 'গোপন ষড়যন্ত্র' ছিল না; বরং এটি ছিল পরিস্থিতির চাপে পড়ে নেওয়া এক অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত। ঐতিহাসিক নথিপত্র, কূটনৈতিক আলাপ এবং তৎকালীন সমরনায়কদের বয়ান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভারত এই যুদ্ধে জড়াতে কতটা দোটানায় ছিল এবং শেষ পর্যন্ত কেন তারা বাধ্য হয়েছিল। এই প্রবন্ধে আমরা তথ্যের ভিত্তিতে সেই সব মিথ্যে প্রোপাগান্ডা খণ্ডন করব।
ভারতের প্রাথমিক অবস্থান অখণ্ড পাকিস্তানের পক্ষে?
ষড়যন্ত্র তত্ত্বের প্রবক্তারা দাবি করে যে, ভারত শুরু থেকেই পাকিস্তান ভাঙার পরিকল্পনা করছিল। কিন্তু ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের কূটনৈতিক নথিপত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলে। ভারতের তৎকালীন সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অবস্থান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তারা বরং পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রাখার পক্ষেই কথা বলছিলেন।
তৎকালীন ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব টি এন কাউল নয়া দিল্লিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেনেথ কিটিংকে পরিষ্কারভাবে বলেছিলেন, "ভারত চায় পাকিস্তানের ঐক্য বজায় থাকুক।" একই সুরে কথা বলেছিলেন ওয়াশিংটনে ভারতের রাষ্ট্রদূত এল কে ঝা। তিনি হেনরি কিসিঞ্জারকে সরাসরি জানিয়েছিলেন যে, ভারত পাকিস্তানের ভাঙন চায় না। এই বয়ানগুলো কোনো ষড়যন্ত্রকারীর হতে পারে না। ষড়যন্ত্র গোপন থাকে, কিন্তু এগুলো ছিল অফিশিয়াল কূটনৈতিক অবস্থান।
ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী মার্চ মাস পর্যন্ত ভারতের সাধারণ নির্বাচন নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সংকটে মাথা ঘামানোর মতো সময় বা আগ্রহ তাঁর ছিল না। যদি ভারত আগে থেকেই ষড়যন্ত্র করত, তবে তারা আমেরিকার কাছে পাকিস্তানের অখণ্ডতার পক্ষে সাফাই গাইত না। বরং শুরু থেকেই তারা পূর্ব পাকিস্তানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রকাশ্য চেষ্টা করত।
ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ - নিক্সন, কিসিঞ্জার এবং চীনের ছায়া
১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপট বুঝতে হলে তখনকার বৈশ্বিক রাজনীতি বা কোল্ড ওয়ারের সমীকরণ বুঝতে হবে। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এবং তাঁর উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার পাকিস্তানকে রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন। এর কারণ কোনো নীতিগত ভালোবাসা ছিল না, বরং পাকিস্তান ছিল চীনের সাথে আমেরিকার দীর্ঘদিনের বন্ধ হয়ে থাকা যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম।
ভারত জানত যে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করা মানে হলো আমেরিকা ও চীনকে সরাসরি চটানো। পাকিস্তান ভাঙার ষড়যন্ত্র করা ভারতের জন্য আত্মঘাতী হতে পারত, কারণ এতে পাকিস্তান-চীন-আমেরিকা জোট ভারতের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিল। ভারত এই বিশাল ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি নিয়ে কোনো 'গোপন ষড়যন্ত্র' করার মতো অবস্থায় ছিল না। মূলত পরিস্থিতি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, কেবল তখনই ভারত বিকল্প ভাবতে শুরু করে।
শরণার্থী সংকট - ষড়যন্ত্র নয়, অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই
ষড়যন্ত্রকারীরা প্রায়ই বলে যে, ভারত একটি সুযোগ খুঁজছিল। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রায় ১০ মিলিয়ন (১ কোটি) শরণার্থীর ভার ভারতের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল। এক কোটি মানুষ মানে হলো একটি আস্ত দেশের সমান জনসংখ্যা। এদের অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা ভারতের জন্য ছিল এক দুঃস্বপ্ন।
ভারত এই পরিস্থিতি আড়াল করার চেষ্টা করেনি। বরং তারা বিদেশি পর্যবেক্ষক যেমন - মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি বা বিখ্যাত ফরাসি দার্শনিক আঁদ্রে মালরোকে ডেকে এনে শরণার্থী শিবিরগুলো দেখিয়েছে। কোনো দেশ ষড়যন্ত্র করলে তারা বিদেশি মিডিয়া ও পর্যবেক্ষকদের দূরে রাখত। ভারত বিশ্ববাসীকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছিল যে, পাকিস্তানের গণহত্যার কারণে তারা কী ভয়াবহ সংকটে পড়েছে। ভারত চেয়েছিল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পাকিস্তানকে চাপ দিক যাতে গণহত্যা থামে এবং শরণার্থীরা ফিরে যায়। ভারত শুরু থেকেই যুদ্ধ এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজছিল, কারণ যুদ্ধের খরচ ও ঝুঁকি ছিল আকাশচুম্বী।
দীক্ষিত-সিং রিপোর্ট - ভারতের অভ্যন্তরীণ দোটানা ও ভয়
১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্তও ভারত নিশ্চিত ছিল না যে তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়াবে কি না। এস কে সিং এবং জে এন দীক্ষিতের পাঠানো গোপন রিপোর্টগুলো ভারতের অভ্যন্তরীণ ভয়ের চিত্র ফুটিয়ে তোলে। এই রিপোর্টগুলোতে বলা হয়েছিল যে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী তৎকালীন সময়ে এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, ভারত যদি সরাসরি সাহায্য (গুণগত পরিবর্তন) না বাড়ায়, তবে $১৯৭২$ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যে পাকিস্তান সব প্রতিরোধ গুঁড়িয়ে দেবে।
ভারতের সমর পরিকল্পনাবিদরা জানতেন যে, যুদ্ধে নামলে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষ নিতে পারে, যা ভারতকে আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে করে ফেলবে। যারা ষড়যন্ত্র করে, তারা এত ভয় পায় না। ভারত খুব ভালো করে জানত যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামা মানে নিজের পায়ে কুড়াল মারা হতে পারে। কিন্তু একদিকে ১ কোটি শরণার্থীর বোঝা এবং অন্যদিকে পূর্ব সীমান্তে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নৃশংসতা ভারতকে দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে দিয়েছিল। ভারতের কাছে তখন দুটি পথ খোলা ছিল: হয় চুপচাপ ১ কোটি শরণার্থীর বোঝা নিয়ে নিজের অর্থনীতি ধ্বংস হতে দেখা, না হয় যুদ্ধের ঝুঁকি নিয়ে একটি স্বাধীন বাংলাদেশ গঠন করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা।
জেনারেল ওসমানী বনাম তরুণ মেজরবৃন্দ
আমাদের দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু কম আলোচিত দিক হলো মুক্তিবাহিনীর অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব ও ভারতের সাথে তাদের সম্পর্ক। জেনারেল এম এ জি ওসমানী ছিলেন একজন প্রথাগত সামরিক অফিসার, যিনি নিয়ম এবং শৃঙ্খলা মেনে যুদ্ধ পরিচালনা করতে চাইতেন। অন্যদিকে, তাঁর অধীনে থাকা তরুণ বাঙালি মেজররা (জিয়াউর রহমান, খালেদ মোশাররফ প্রমুখ) ছিলেন অধৈর্য এবং পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান চাইছিলেন।
পেশাদারিত্বের এই সংঘাত থেকে তৈরি হয়েছিল অবিশ্বাসের এক অদ্ভুত পরিবেশ। ২৫শে মার্চের আগে বেশির ভাগ সেনাকর্মকর্তার সাথে আওয়ামী লীগ নেতাদের কোনো যোগাযোগ ছিল না। ১৩ বছরের সামরিক শাসনে থাকা এই অফিসাররা সিভিলিয়ান রাজনীতিবিদদের কিছুটা নিচু চোখে দেখতেন। ওসমানী ভয় পাচ্ছিলেন যে এই তরুণ অফিসাররা হয়তো অতি-উৎসাহী হয়ে এমন কিছু করে ফেলবে যা মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হবে। তিনি এমনকি গোলক মজুমদারকে বলেছিলেন যে, এদের মধ্যে কেউ "পাকিস্তানি চর" কিংবা "চীনপন্থী" হতে পারে।
এই তরুণ মেজরেরা বারংবার ওসমানীকে চাপ দিচ্ছিলেন যেন ভারতের সাথে দ্রুত রাজনৈতিক ও সামরিক বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়। খালেদ মোশাররফ নিজে ওসমানীর বিরুদ্ধে গিয়ে দাবি তুলেছিলেন যে, ভারতের রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সরাসরি বসতে হবে যাতে যুদ্ধের রসদ ঠিকমতো পাওয়া যায়। এই অভ্যন্তরীণ চাপ প্রমাণ করে যে, ভারত কোনো ষড়যন্ত্র করে আগ বাড়িয়ে আসেনি; বরং মুক্তিযোদ্ধারা এবং মুক্তিবাহিনীর তরুণ নেতৃত্বই ভারতকে যুদ্ধে জড়ানোর জন্য নিয়মিত প্ররোচিত ও চাপ দিচ্ছিলেন।
"ভারত আক্রমণ না করা পর্যন্ত বিরাম নেই" - কেন এই মনোভাব?
পাকপন্থীরা বলে ভারত ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশে ঢুকেছে। কিন্তু বাস্তব ইতিহাস বলছে উল্টো চিত্র। মুক্তিযোদ্ধারা বরং হতাশ হয়ে পড়েছিলেন কারণ ভারত সরাসরি আক্রমণ করছিল না। তরুণ মেজররা ভেবেছিলেন ২৫শে মার্চের পর ১ সপ্তাহের মধ্যেই ভারত আসবে, কিন্তু ভারত তখনো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভয়ে কুঁকড়ে ছিল।
মে মাসের মধ্যে এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে মুক্তিবাহিনীর কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নেই এবং তারা পাকিস্তানের প্রশিক্ষিত ৫ ডিভিশন সৈন্যের সাথে সম্মুখ সমরে পারবে না। তাই তরুণ মেজররা ভারতকে যুদ্ধে জড়ানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। এটা কোনো ষড়যন্ত্র ছিল না, এটা ছিল অস্তিত্ব রক্ষার শেষ চেষ্টা। তারা জানতেন, ভারতীয় বিমানবাহিনীর সাহায্য ছাড়া ঢাকার পতন ঘটানো অসম্ভব। অর্থাৎ, বাঙালিরাই ভারতকে টেনে এনেছে তাদের প্রয়োজনে, ভারত নিজে ষড়যন্ত্র করে সেধে আসেনি।
বিএসএফ-এর অপ্রস্তুতি - কেন এটি পূর্বপরিকল্পিত চক্রান্ত নয়?
যেকোনো বড় ষড়যন্ত্রের পেছনে থাকে নিখুঁত পরিকল্পনা এবং রসদ প্রস্তুতি। কিন্তু ১৯৭১ সালের শুরুতে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ-এর অবস্থা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তাদের কাছে কোনো পরিষ্কার সরকারি নির্দেশনাই ছিল না।
বিএসএফ কর্মকর্তা রুস্তমজি এবং ব্রিগেডিয়ার পান্ডের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৫শে মার্চের পর যখন স্রোতের মতো মানুষ এবং বিদ্রোহ করা বাঙালি সৈনিকরা সীমান্তে আসতে শুরু করেন, তখন বিএসএফ কর্মকর্তারা ছিলেন অপ্রস্তুত। তারা স্রেফ মানবিক কারণে এবং সহমর্মিতা থেকে এই তরুণ বাঙালিদের সাহায্য করার সুযোগ খুঁজছিলেন। কর্নেল ওসমানী এবং ভারতীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম দিকের বৈঠকগুলো ছিল খুবই অপ্রাতিষ্ঠানিক - তঁবুর নিচে হারিকেন জ্বালিয়ে।
যদি এটি কোনো রাষ্ট্রীয় গভীর ষড়যন্ত্র হতো, তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী ২৫শে মার্চের পরদিনই সুপরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করত। কিন্তু ভারত মাসের পর মাস অপেক্ষা করেছে কেবল পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝার জন্য এবং নিজেদের সামরিক শক্তি প্রস্তুত করার জন্য।
রক্তে কেনা স্বাধীনতা বনাম কৌশলগত বাধ্যবাধকতা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ভারতের 'দান' নয়, আবার এটি ভারতের কোনো 'ষড়যন্ত্র'ও নয়। এটি ছিল বাঙালির দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও রক্তের বিনিময়ে গড়ে তোলা একটি আন্দোলন, যার চূড়ান্ত পর্যায়ে ভারত কৌশলগত ও মানবিক কারণে পাশে দাঁড়িয়েছিল। ভারত যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল মূলত তিনটি কারণে:
১. এক কোটি শরণার্থীর ভার সহ্য করার ক্ষমতা ভারতের ছিল না।
২. পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের সীমান্তেও উত্তেজনা তৈরি করছিল।
৩. বাংলাদেশের মানুষ বুক দিয়ে লড়াই শুরু করে দিয়েছিল, যা ভারত উপেক্ষা করতে পারেনি।
আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসকে যারা 'ভারতের ষড়যন্ত্র' বলে খাটো করতে চায়, তারা আসলে বাংলাদেশের মানুষের সামর্থ্যকেই অস্বীকার করতে চায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা বাঙালির রক্ত এবং ভারতের কৌশলগত বাধ্যবাধকতার এক চূড়ান্ত মিলনস্থল। এটি কোনো গোপন ষড়যন্ত্র ছিল না, ছিল একটি জাতির টিকে থাকার ঐতিহাসিক সংগ্রাম।
তথ্যসূত্র: 1972-1975: Revelations of The Post-Independence Turmoil
Explore Topics
Featured Posts
About
TruthBangla shares impactful stories, national developments, and uplifting content that strengthen unity and inspire positive change.















