>
>
৮ জানুয়ারি ১৯৭২ - পাকিস্তানের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি পেয়ে বিশ্বমঞ্চে বঙ্গবন্ধু
৮ জানুয়ারি ১৯৭২ - পাকিস্তানের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি পেয়ে বিশ্বমঞ্চে বঙ্গবন্ধু
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্স ময়দানে যখন পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে, তখন বাঙালির বিজয় পূর্ণতা পেলেও একটি অপূর্ণতা ছিল বিষাদের মতো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখনও পাকিস্তানের অন্ধকার কারাগারে বন্দি। পুরো জাতি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল তাদের প্রিয় নেতার ফেরার। অবশেষে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ ৮ জানুয়ারি, ১৯৭২। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু যখন লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পা রাখেন, তখন সেটি কেবল একজন ব্যক্তির মুক্তি ছিল না, বরং তা ছিল একটি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রের বিশ্বমঞ্চে আনুষ্ঠানিক পদার্পণ।

TruthBangla
Jan 8, 2026
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্স ময়দানে যখন পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে, তখন বাঙালির বিজয় পূর্ণতা পেলেও একটি অপূর্ণতা ছিল বিষাদের মতো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখনও পাকিস্তানের অন্ধকার কারাগারে বন্দি। পুরো জাতি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল তাদের প্রিয় নেতার ফেরার। অবশেষে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ ৮ জানুয়ারি, ১৯৭২। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু যখন লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পা রাখেন, তখন সেটি কেবল একজন ব্যক্তির মুক্তি ছিল না, বরং তা ছিল একটি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রের বিশ্বমঞ্চে আনুষ্ঠানিক পদার্পণ। আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা সেই ঘটনাবহুল ৪৮ ঘণ্টার প্রতিটি মুহূর্ত বিশ্লেষণ করব।
রাওয়ালপিন্ডি থেকে লন্ডন
বঙ্গবন্ধুর মুক্তি ছিল বিশ্ব রাজনীতির এক জটিল দাবার চালের অংশ। তৎকালীন পাকিস্তানের নতুন প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো আন্তর্জাতিক চাপের মুখে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন। কিন্তু এই যাত্রাপথটি ছিল অত্যন্ত গোপনীয়।
৮ জানুয়ারি ভোরে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি থেকে একটি বিশেষ বিমানে (PIA) করে তাকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার যাত্রা শেষে গ্রিনিচ সময় সকাল ৬টা ৩৬ মিনিটে হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, বঙ্গবন্ধু বিমানে ওঠার পর প্রায় সাত ঘণ্টা পর্যন্ত বিশ্বের কোনো সংবাদমাধ্যম জানতে পারেনি তিনি কোথায় যাচ্ছেন। পাকিস্তান চেয়েছিল বিষয়টিকে অত্যন্ত গোপনীয় রাখতে, কিন্তু বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন বিশ্ববাসীর সামনে সরাসরি উপস্থিত হতে।
বিমানবন্দরে প্রথম প্রতিক্রিয়া - "আমি বেঁচে আছি"
হিথ্রো বিমানবন্দরে যখন তিনি নামলেন, পরনে ছিল একটি টাইবিহীন সাদা শার্ট, ধূসর স্যুট এবং একটি ওভারকোট। ক্লান্ত কিন্তু দীপ্তিময় চেহারায় তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুধু এটুকুই বললেন:
"আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন আমি সুস্থ আছি, বেঁচে আছি। এ মুহূর্তে আপনারা শুধু আমাকে দেখুন, কিছু শোনার আশা করবেন না।"
লন্ডনের ক্লারিজ হোটেলে এক টুকরো বাংলাদেশ
বিমানবন্দর থেকে বঙ্গবন্ধু সোজা চলে যান লন্ডনের অভিজাত ওয়েস্ট এন্ডের ক্লারিজ হোটেলে। সঙ্গে ছিলেন ড. কামাল হোসেন। একটি মজার বিষয় হলো, হোটেলে যাওয়ার পথে গাড়িতে ওঠার সময় বঙ্গবন্ধু কর্মকর্তাদের কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন তিনি সামনে বসতে পারেন কি না। কর্মকর্তাদের বিনীত উত্তর ছিল "অবশ্যই, স্যার।"
ক্লারিজ হোটেলটি কয়েক ঘণ্টার জন্য যেন বাংলাদেশের অলিখিত সচিবালয় হয়ে উঠেছিল। ব্রিটিশ সরকার তখনও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি, কিন্তু প্রটোকল ছিল একজন রাষ্ট্রপ্রধানের মতোই। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ তার ছুটির দিন সংক্ষিপ্ত করে লন্ডন ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে। এটি ছিল বিশ্ব রাজনীতির এক বিরল ঘটনা।

হোটেলে বিশ্রামের পর বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সম্মেলন কক্ষে প্রবেশের সময় তিনি উচ্চকণ্ঠে 'জয় বাংলা' স্লোগান দিয়ে উপস্থিত সবাইকে চমকে দেন। সেখানে তিনি পাকিস্তানের বর্বরতার বর্ণনা দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন:
"আমি এক মুহূর্ত এখানে থাকতে রাজি নই, আমি আমার মানুষের কাছে ফিরতে চাই।"
"পাকিস্তানিরা আমার মানুষের ওপর যে নিষ্ঠুরতা চালিয়েছে, তা দেখলে স্বয়ং হিটলারও লজ্জা পেত।"
"বাংলাদেশ এখন এক অনস্বীকার্য সত্য এবং এদেশকে বিশ্বের স্বীকৃতি দিতেই হবে।"
তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, জুলফিকার আলী ভুট্টোর সঙ্গে কোনো আপস বা পাকিস্তানের সঙ্গে কোনো ফেডারেশন করার প্রশ্নই ওঠে না। বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবেই টিকে থাকবে।

পরিবারের সঙ্গে সেই প্রথম কথা - "বেঁচে আছো তো?"
দীর্ঘ ৯ মাসের বন্দিজীবনে বঙ্গবন্ধু জানতেন না তার পরিবার বেঁচে আছে কি না। ২৫ মার্চের সেই কালরাতের পর এই প্রথম ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় তিনি বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন।
ফোনটি যখন কানে নিলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রথম প্রশ্ন ছিল "তোমরা সবাই বেঁচে আছো তো?" ওপ্রান্তে বেগম মুজিব কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি এতটাই আবেগাপ্লুত ছিলেন যে, প্রথমবার ফোন এলে কথাই বলতে পারেননি। দ্বিতীয়বার কল আসলে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সবার খোঁজ নেন। বড় ছেলে শেখ কামাল, শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা এবং ছোট ছেলের কণ্ঠ শুনে আবেগঘন এক পরিবেশ তৈরি হয় লন্ডনের সেই হোটেল রুমে। এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম সেরা মানবিক মুহূর্ত।
আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে আলাপ
লন্ডনে থাকাকালীন বঙ্গবন্ধু কেবল তার পরিবারের সঙ্গেই কথা বলেননি, বরং একটি নতুন রাষ্ট্রের ভিত মজবুত করতে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাকে ফোন করে অভিনন্দন জানান এবং নয়াদিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানান।
বঙ্গবন্ধু ইন্দিরা গান্ধীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন:
"আমি আপনাদের কাছে এবং ভারতের জনগণের কাছে চিরঋণী। আমার মুক্তির জন্য আপনারা যে প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, তা অতুলনীয়।"
একই সঙ্গে তিনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, পোল্যান্ড এবং ফ্রান্সের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাদের সমর্থনের জন্য।
সহযোদ্ধা তাজউদ্দিনকে জিজ্ঞাসা করলেন দেশের অবস্থা কী?
লন্ডন থেকে বঙ্গবন্ধু ফোন করেন তার বিশ্বস্ত রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদকে। বঙ্গবন্ধুর প্রথম জিজ্ঞাসাই ছিল দেশের মানুষের অবস্থা এবং শহীদদের সংখ্যা নিয়ে। তিনি জানতে চেয়েছিলেন বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী কতজন মানুষকে হত্যা করেছে। তাজউদ্দিন আহমেদের কাছ থেকে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি শুনে বঙ্গবন্ধু স্থির করেন তিনি আর এক মুহূর্তও বিদেশে থাকবেন না, দ্রুত দেশে ফিরবেন।
১০ জানুয়ারি - ধ্বংসস্তূপের বুকে কৃষ্ণচূড়া
বঙ্গবন্ধুর মুক্তির খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ঢাকায় উৎসবের আমেজ শুরু হয়। বঙ্গভবনে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক বসে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বঙ্গবন্ধু দিল্লি হয়ে ঢাকায় ফিরবেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং ডাকসুর নেতারা (নূরে আলম সিদ্দিকী, শাহজাহান সিরাজ, আ স ম আব্দুর রব ও আব্দুল কুদ্দুস মাখন) দেশবাসীকে শান্ত থাকার এবং বঙ্গবন্ধুকে রাজকীয় সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।
ইতিহাসের এক মাহেন্দ্রক্ষণ ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। ঘড়ির কাঁটায় তখন দুপুর ১টা ৪১ মিনিট। তেজগাঁও বিমানবন্দরের রানওয়েতে যখন ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ারফোর্সের রুপালি বিমানটি অবতরণ করল, তখন কেবল একটি বিমান মাটিতে নামেনি, বরং দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর একটি জাতির অপূর্ণ স্বাধীনতা পূর্ণতা পেয়েছিল। সেদিন আকাশবাণী বেতারে বেজে উঠেছিল সুরের মূর্ছনা, আর বাঙালির হৃদয়ে বেজেছিল মুক্তির জয়গান।


পুরো দেশ তখন মুখিয়ে ছিল রেসকোর্স ময়দানের সেই পরিচিত কণ্ঠটি শোনার জন্য। ১০ জানুয়ারি তিনি যখন ঢাকা বিমানবন্দরে নামেন, তখন লক্ষ লক্ষ মানুষের জনস্রোত প্রমাণ করে দিয়েছিল যে তিনিই ছিলেন এই পলিমাটির অবিসংবাদিত নেতা।
সেদিন কলকাতার 'আকাশবাণী' বেতারে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের সেই কালজয়ী কন্ঠ সারা বাংলার আকাশ-বাতাস মুখরিত করেছিল। কবি কামাল চৌধুরীর ভাষায় 'তিনি ফিরে আসলেন, ধ্বংসস্তূপের ভেতর ফুটে উঠল কৃষ্ণচূড়া।' সত্যিই তো, চারদিকে তখন পোড়া মাটির গন্ধ, স্বজন হারানোর আর্তনাদ আর ধ্বংসের চিহ্ন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর পদধূলি পড়তেই সেই ছাইচাপা ধ্বংসস্তূপের ভেতরেই যেন আশার নতুন অঙ্কুরোদগম হলো। বাঙালির হাহাকার নিমেষেই রূপান্তরিত হলো বাঁধভাঙা উল্লাসে।
মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল একটি স্বাধীন ভূখণ্ড এবং আমাদের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি। আন্তর্জাতিক প্রেস ব্রিফিং-এ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সেই বলিষ্ঠ ঘোষণা আজও ইতিহাসে অমলিন "বঙ্গবন্ধুর মুক্তি ব্যতীত বাংলাদেশের স্বাধীনতা অসম্পূর্ণ।" বাস্তবিক অর্থেই, ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করলেও আমাদের মাথার ওপর অভিভাবকহীনতার এক কালো মেঘ জমে ছিল। পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে যখন জাতির পিতাকে হত্যার নীল নকশা তৈরি হচ্ছিল, তখন বিশ্ব জনমতের চাপে পাকিস্তান তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। তাঁর ফিরে আসার মাধ্যমেই বাংলাদেশের বিজয় উৎসব তার পূর্ণ রূপ পরিগ্রহ করে।
কেন পাকিস্তান বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল?
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, পাকিস্তান কেন তাকে হত্যা না করে মুক্তি দিল? এর পেছনে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক কারণ ছিল:
আন্তর্জাতিক চাপ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং ব্রিটেনের পক্ষ থেকে ইয়াহইয়া ও ভুট্টোর ওপর প্রচণ্ড চাপ ছিল।
ভারতীয় যুদ্ধবন্দি: ভারতের কাছে পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সৈন্য বন্দি ছিল। তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য দর কষাকষিতে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দেওয়া ছাড়া পাকিস্তানের আর কোনো পথ ছিল না।
ভুট্টোর কৌশল: জুলফিকার আলী ভুট্টো চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে একটি সুসম্পর্ক রেখে পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রাখার শেষ চেষ্টা করতে, যদিও বঙ্গবন্ধু তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন।
একটি নক্ষত্রের উদয়
৮ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি এই ৪৮ ঘণ্টা ছিল বাংলাদেশের অস্তিত্বের লড়াইয়ের চূড়ান্ত পর্যায়। বঙ্গবন্ধু লন্ডনে নামার মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন যে বাংলাদেশ কেবল একটি মানচিত্র নয়, এটি একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা। হিথ্রো থেকে ক্লারিজ হোটেল, ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে ফোনালাপ থেকে তাজউদ্দিনের সঙ্গে পরামর্শ প্রতিটি পদক্ষেপে বঙ্গবন্ধু একজন বিচক্ষণ রাষ্ট্রনায়কের পরিচয় দিয়েছিলেন।
তিনি যখন বলেছিলেন, "জানতাম বাংলাদেশ মুক্ত হবেই", তখন সেটি কেবল তার আত্মবিশ্বাস ছিল না, বরং ছিল কোটি বাঙালির সংগ্রামের প্রতি তার অগাধ বিশ্বাস। আজ আমরা যে স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করছি, তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল লন্ডনের সেই শীতের সকালে।
Explore Topics
Featured Posts
About
TruthBangla shares impactful stories, national developments, and uplifting content that strengthen unity and inspire positive change.














