একাত্তরে রণাঙ্গনে জালেমদের বিরুদ্ধে আল্লাহর গোলাম আলেম সমাজ
একাত্তরে আল্লাহর গোলামরা যেমন আল্লাহর ইবাদতও করতেন, তেমনই দেশের হানাদার শত্রুদের এবং দেশ ও জাতির চিরশত্রু রাজাকার, আল-বদর ও গাদ্দারদেরও মারতেন। আলেম সমাজের একটি বৃহৎ অংশ স্বাধীনতার পক্ষে ফতোয়া জারি করে এই যুদ্ধকে 'জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের লড়াই' হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।

TruthBangla

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একাত্তরের রক্তক্ষয়ী মুক্তি সংগ্রামে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু একটি মহল বরাবরই ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার ওপর আঘাত হানতে চেয়েছে। এই অপপ্রচারকারীদের প্রধান হাতিয়ার ছিল এই মিথ্যা দাবি যে, ধর্মপ্রাণ মানুষ বা আলেমরা নাকি মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিলেন। ইতিহাসের সত্য সম্পূর্ণ বিপরীত। একাত্তরে আল্লাহর গোলামরা যেমন আল্লাহর ইবাদতও করতেন, তেমনই দেশের হানাদার শত্রুদের এবং দেশ ও জাতির চিরশত্রু রাজাকার, আল-বদর ও গাদ্দারদেরও মারতেন। আলেম সমাজের একটি বৃহৎ অংশ স্বাধীনতার পক্ষে ফতোয়া জারি করে এই যুদ্ধকে 'জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের লড়াই' হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের নৈতিক ভিত্তি ও আলেম সমাজের অবস্থান
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম কেবল রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের যুদ্ধ ছিল না, এটি ছিল নৈতিকতা, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মর্যাদার সংগ্রাম। যখন পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ধর্মের দোহাই দিয়ে এদেশের নিরীহ মানুষের ওপর গণহত্যা শুরু করে, তখন আলেম সমাজ দ্বিধাহীন চিত্তে এই জালেম শক্তির বিরুদ্ধে মজলুম জনতার পক্ষে অবস্থান নেন।
বহুমুখী ভূমিকা: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আলেম সমাজের ভূমিকা ছিল বহুমুখী - স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব, জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা, নৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন দেওয়া এবং সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা।
ধর্মের অপব্যবহার: রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস - এই বাহিনীগুলো ধর্মের নামে গণহত্যা, ধর্ষণ ও লুটতরাজ চালিয়েছিল। এই জঘন্য কাজগুলো ধর্মের লেবাসধারী কিছু গাদ্দার দ্বারা পরিচালিত হলেও, মূল ধারার আলেম সমাজ এর তীব্র বিরোধিতা করেন।
এই প্রবন্ধের লক্ষ্য: এই প্রবন্ধে আমরা সেই মহান আলেম সমাজের ভূমিকা তুলে ধরব, যাঁরা ধর্মের নামে চলা জুলুমের বিরুদ্ধে 'জিহাদ' ঘোষণা করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে অবিচল ছিলেন।
একাত্তরের প্রেক্ষাপট – যখন আলেম সমাজের সামনে ফতোয়ার প্রশ্ন এলো
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গণহত্যার পর আলেম সমাজের সামনে দুটি পথ খোলা ছিল: এক, ধর্মের নামে শোষণকারী পাকিস্তানি জান্তাকে সমর্থন করা (যা ছিল সম্পূর্ণ অনৈসলামিক); দুই, জালেমের বিরুদ্ধে মজলুম জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করা।
জালেম বনাম মজলুমের ফতোয়া
আলেম সমাজের একটি বৃহৎ অংশ স্পষ্ট ফতোয়া জারি করে বলেন যে, এটি কোনো ধর্মের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, বরং এটি হলো 'জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের লড়াই'। ইসলামে জালেমের বিরোধিতা করা এবং মজলুমকে সাহায্য করা ফরজ।
বাঙালি জাতীয়তাবাদের নৈতিক সমর্থন: বাঙালি আলেমগণ উপলব্ধি করেন যে, পাকিস্তানিরা ধর্মের নামে যা করছে, তা সম্পূর্ণ ধর্মবিরোধী। তারা ইসলাম ও মানবতার মূল নীতিগুলোর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে।
অধিকারের লড়াই: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফা এবং বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের ভিত্তি ছিল অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচার। আলেম সমাজ এই ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে নৈতিক সমর্থন দেন।
পাকিস্তানপন্থী আলেমদের ভূমিকা ও বিভ্রান্তি
অন্যদিকে, কিছু ক্ষুদ্র অংশ (বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলামীর মতো দলগুলোর নেতারা) পাকিস্তানের সামরিক জান্তাকে সমর্থন করে এবং রাজাকার-আলবদর বাহিনী গঠনে সাহায্য করে। তারা এই যুদ্ধকে 'ভারতের দালালদের ষড়যন্ত্র' এবং 'ইসলাম রক্ষার যুদ্ধ' বলে অপপ্রচার চালায়। এই অংশটিই পরবর্তীতে ইতিহাসের আবর্জনার স্তূপে নিক্ষিপ্ত হয়।
নৈতিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব – মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে শীর্ষ আলেমগণ
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বহু শীর্ষস্থানীয় আলেম নৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন দিয়ে জনগণকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করেন এবং পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে জনমত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
শায়খুল হাদিস ও মুফতিদের ফতোয়া
শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.): হাদিসের এই প্রখ্যাত পণ্ডিত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন দেন। তাঁর অনুসারী ও ছাত্ররা প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি স্পষ্টভাবে স্বাধীনতা সংগ্রামের ন্যায্যতা তুলে ধরেন।
মুফতি মাহমুদ (রহ.): মুফতি মাহমুদসহ বহু প্রখ্যাত মুফতি পাকিস্তানি জান্তার গণহত্যার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করে স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন।
হাফেজ্জি হুজুর (রহ.) [মাওলানা মুহাম্মদউল্লাহ]: তিনি এবং তাঁর অনুসারীরাও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক সমর্থন দেন। তাঁর মতো সম্মানিত ব্যক্তিদের সমর্থন জনগণের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের নৈতিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করে তুলেছিল।
পীর ও আধ্যাত্মিক নেতাদের সমর্থন
দেওয়ানবাগী পীর সাহেব (রহ.): তাঁর অনুসারীরাও মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। আধ্যাত্মিক নেতারা সাধারণ মানুষের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতেন, আর তাঁদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ছিল জনমত গঠনে অত্যন্ত ফলপ্রসূ।
অন্যান্য পীর: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বহু পীর-মাশায়েখ এবং খানকার অনুসারীরা সরাসরি যুদ্ধ করেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দিয়েছেন এবং হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন।
শহীদ মাওলানা অলিউর রহমান: আলেম সমাজের প্রথম শহীদদের অন্যতম
মাওলানা অলিউর রহমান ছিলেন অত্যন্ত প্রখ্যাত ও প্রতিবাদী আলেম। তিনি শুরু থেকেই স্বাধিকার আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন এবং স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠন করেন। ২৫ মার্চের গণহত্যার পর তিনি প্রকাশ্যে হানাদার বাহিনীর বিরোধিতা করেন। পাকিস্তানপন্থী ঘাতকদের হাতে তিনি নৃশংসভাবে শহীদ হন। তাঁর মতো প্রখ্যাত আলেমের শাহাদাত প্রমাণ করে, মুক্তিযুদ্ধ আলেম সমাজ থেকে কতটা কঠিন মূল্য আদায় করে নিয়েছিল।
রণাঙ্গনে আলেমরা – সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ
অনেক আলেম কেবল ফতোয়া দিয়েই ক্ষান্ত হননি, তাঁরা সরাসরি সশস্ত্র যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা ধর্মশিক্ষা এবং যুদ্ধের কৌশল - এই দুটিতেই পারদর্শী ছিলেন।
অসংখ্য মাদ্রাসা ছাত্র ও শিক্ষকের অংশগ্রহণ
ছাত্র-শিক্ষক: দেশের হাজার হাজার মাদ্রাসা ছাত্র, শিক্ষক, ইমাম এবং মোয়াজ্জিন সরাসরি মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেন। তাঁরা বন্দুক ধরেছেন, গেরিলা হামলা করেছেন এবং দেশকে শত্রুমুক্ত করার শপথ নিয়েছেন।
আশ্রয় ও সহায়তা: অনেক মাদ্রাসাকে মুক্তিযোদ্ধারা ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেছেন। মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা খাদ্য, ঔষধ এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছেন।
মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও ইসলাম
মওলানা ভাসানী ছিলেন একজন প্রভাবশালী ইসলামি চিন্তাবিদ এবং জননেতা। তিনি আজীবন সাম্রাজ্যবাদ ও শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন।
ভাসানী তাঁর মজলুম জননেতার পরিচিতি এবং ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে পাকিস্তানি জান্তার শোষণ ও জুলুমের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। তাঁর নেতৃত্ব মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিল। তিনি স্পষ্টভাবে পাকিস্তানের সামরিক শাসনের বিরোধিতা করেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সমর্থন করেন।
ধর্মের নামে অপপ্রচারকারীদের মুখোশ উন্মোচন
মুক্তিযুদ্ধের পর, ধর্মের নামে পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নেওয়া দলগুলো (জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলামীর একাংশ) তাদের অতীত অপকর্ম আড়াল করতে একটি স্থায়ী মিথ্যাচার শুরু করে: মুক্তিযুদ্ধ ইসলামবিরোধী ছিল। কিন্তু আলেম সমাজের বৃহৎ অংশের অবস্থান এই অপপ্রচারের মূল ভিত্তিকেই ধ্বংস করে দেয়।
আল-বদর ও রাজাকার – ধর্ম রক্ষার নামে জুলুম
জুলুমের উদ্দেশ্য: রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী গঠিত হয়েছিল পাকিস্তানি সামরিক জান্তার অধীনে। তাদের প্রধান কাজ ছিল গণহত্যা, বুদ্ধিজীবী নিধন, ধর্ষণ ও লুটতরাজ।
ধর্মের অপব্যবহার: তারা জঘন্য কাজগুলো করেছিল ধর্মের দোহাই দিয়ে। তাদের এই কাজগুলো ছিল স্পষ্টত 'ফাসাদ ফিল আরদ' (জমিনে নৈরাজ্য সৃষ্টি) - যা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
আলেম সমাজের স্পষ্টতা: মূল ধারার আলেম সমাজ বারবার স্পষ্ট করেছেন যে, রাজাকারদের কাজ ছিল ইসলাম ও মানবতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ইসলামে কোনোভাবেই নিরীহ মানুষ হত্যা, ধর্ষণ বা সম্পদ লুণ্ঠনের অনুমতি নেই।
ইসলামের দৃষ্টিতে মুক্তিযুদ্ধ
আলেম সমাজের মতে, মুক্তিযুদ্ধের নৈতিক ও ধর্মীয় ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত:
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: এটি ছিল স্বাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। ইসলাম ন্যায়বিচারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।
আত্মরক্ষা: গণহত্যা থেকে জীবন, সম্মান ও সম্পদ রক্ষার জন্য অস্ত্র ধারণ করা প্রতিটি মানুষের, বিশেষ করে মজলুমের, ধর্মীয় ও নৈতিক অধিকার।
জালেমের বিরোধিতা: কোরআন ও হাদিসে স্পষ্টভাবে জালেমের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে এবং মজলুমকে সাহায্য করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজকের দিনের শিক্ষা
আলেম সমাজের এই বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা আমাদের বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। এটি প্রমাণ করে, ধর্ম এবং দেশপ্রেম কখনোই সাংঘর্ষিক হতে পারে না।
দেশপ্রেম ঈমানের অংশ: আলেম সমাজের এই ত্যাগ প্রমাণ করে যে, দেশের প্রতি ভালোবাসা ঈমানের অংশ (হুব্বুল ওয়াতান মিনাল ঈমান)। দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং জালেমকে প্রতিহত করা ঈমানী দায়িত্ব।
বিভ্রান্তি দূর করা: আজও যারা জামায়াত-শিবিরের মতো অপশক্তি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায়, তাদের সামনে শহীদ মাওলানা অলিউর রহমান, শায়খুল হাদিস আজিজুল হক (রহ.) এবং মুফতি মাহমুদ (রহ.)-এর মতো মহান আলেমদের অবস্থান তুলে ধরা উচিত।
একাত্তরের আলেম – আল্লাহর পথে, দেশের পাশে
একাত্তরে আলেম সমাজ এক কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তাঁদের সামনে ছিল মিথ্যা ধর্ম আর সত্যের ইসলামের মধ্যে পার্থক্য বেছে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ। আলেম সমাজের বৃহৎ অংশ সেদিন ধর্মের নামে শোষণ, জুলুম ও হত্যার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। তাঁরা বুঝতে পেরেছিলেন, যে শাসকেরা নিজ দেশের মানুষের ওপর সামরিক বাহিনী লেলিয়ে দিতে পারে, তারা আর যাই হোক, ইসলামের সেবক হতে পারে না।
আল্লাহর গোলামরা যখন আল্লাহর ইবাদত করতেন, তখন তাঁরা জানতেন, সেই ইবাদতের পূর্ণতা আসে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে। তাই তাঁরা অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন হানাদার শত্রুদের এবং দেশ ও জাতির চিরশত্রু রাজাকার-আলবদর গাদ্দারদের মারার জন্য। তাঁদের সেই বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে এক অক্ষয় ও উজ্জ্বল স্থান দখল করে আছে।
তাঁদের এই আত্মত্যাগ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়: দেশপ্রেম, ন্যায়বিচার এবং ইসলামি মূল্যবোধ - এই তিনটিই একাত্তরের রণাঙ্গনে একীভূত হয়েছিল। সেই মহান আলেমদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান।














